Dr. Akm Shahnawaz
Dr. Akm ShahnawazKeynote Speakershahnawaz7b@gmail.com

16 August, 2020 I 07.15 PM
The greatest Bangali of all time is undoubtedly a luminous soul ...

Dr. AKM Shahnawaz Professor, Department of Archeology, Jahangirnagar University was born on 16 February 1970 in Bandar upazila of Narayanganj. His ancestral home is at Tongibari in Bikrampur. He obtained his Bachelor's and Master's degrees from the department of History, Jahangirnagar University respectively in 1982&1983. In 1985, he completed a certificate course in Persian from the institute of modern languages, Dhaka University. He received Ford Foundation Scholarship and obtained Ph.D. from Jadavpur University in 1994. He started his career as a lecturer in the Department of History at Jahangirnagar University in 1984. Although Shahnaz Kalam was known as a writer of rhymes and stories in the seventies and eighties, he came to his profession and concentrated on writing books, essays on school, college and university level curriculum, art and culture and archeology. Special areas of his research are world civilization, socio-cultural history of medieval Bengal and the coins and inscriptions of this period. He has written three books about Bangabandhu. The number of books written and edited by Dr. Shahnawaz is more than sixty. The number of articles published in research journals at home and abroad is more than fifty. He has been writing columns on politics and socio-culture in various national dailies for more than two decades.


This list of these souls born in an auspicious moment is usually very rare in number. We have to seek for them among those very few numbers. All these legendary souls always spread radiance by their own deeds in the society and in home and abroad. In the world history, such a glorious leader is the Father of the nation of Bangladesh.  Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman. Whose revolutionary, struggling life had started from his very childhood days, fought lifelong for the salvation of Bangalis, faced the wrath of the rulers of Pakistan, many times victimized the  oppression of jail. But he never flinched back. Rather by dint of his charismatic leadership he united the Bangalis tp take active part in the movement to earn their rights. 
Let’s leave the question of childhood days, we have to mention that young Mujib also started his struggling life through actively  taking part in the Pakistan Movement and never left the battle. The movement he started to snatch away the rights of Bangalis never desisted him from fighting till the Bangalis reached their liberation movement in1971. By giving birth to a new nation with new territory he was able to secure a permanent position in the Bangalis heart. 
In the whole span of life we have observed that this Great Leader had three dimensions at the three different stages of his glowing life. He spread luster in the same way all over. He was known as Bangalis Great undisputed leader Sheikh Mujibur Rahman from his infancy till the Agartala Conspiracy Case was Instituted. Then before the mass movement of Bangalis the autocrate Ayub Kan was compelled to make him free from the hanging platform. The Bangalis received him cordially with warmth and love from the core of their heart, granted him as the closest friend of Bangladesh and titled him in the name 'Bangabandhu'. With this name he had been ornamented till March 26, 1971. After that Bangabandhu declared the independence of Bangladesh when confronting the brutal genocide of Pakistan. Actually, from this period Bangladesh became an independent country and Bangabandhu gave birth to a new country, a new nation with new identity. And then in this last stage of his life the Bangalis inevitably honored him as the Father of the Nation. This auspicious rarely soul had been glowing same way in his three stages of struggling life.
In 2004, BBC Bangla service conducted a poll for the selection of greatest Bangali personality in Bangali nation history of thousand years started from February 11 continued till March 22. The poll was participated by Bangalis around the world including Bangladesh, India (West Bengal, Tripura, Orissa and Assam). Besides that the different Bangali communities from all over the world also took part in the poll. Total 140 nominations had been produced from the poll.
BBC started the announcement the top 20 names from 26 March declaring one name each day from the 20th position. April 14, on the final day was also Pahela Baishakh (Bangla New year day) BBC announced the name of the founding father of Bangladesh Sheikh Mujibur Rahman as the Greatest Bangali of all time. This recognition of Bangalis pride spread authentic joy among the Bangalis all over the world.
We all must have to comply the history of the manifestation of Bangali nationalism and the revelation of Bangabandhu is an astonishing node. Bangabandhu was brutally killed in 1975 and a strong wind blew over the ideology of Bangladesh, but no need to mention Bangabandhu would remain immortal in the history for ever. His great achievement was his manifestation of the Bangali nationalism. 
He brought high flow in awakening the sensation in Bangalis, made them united, then after converted them with the spell of freedom he gave birth to an independent land. May be some leaders had come or some would come in future with intelligence and skill more than Bangabandhu had but in the history of independence what role he had played in building a nationalist state there are still no alternative proofs against him. There may be thousands of doctrines in ruling the society, the state, number of rulers would come with generosity or fundamentalism or revolution but Sheikh Mujib remains the national hero for ever in the history of independence of Bangladesh. It is undeniable that to earn the rights of Bangalis what struggle, what sacrifice, Sheikh Mujib had gone through during his political life for the freedom of Banglis definitely time to come, his name would conserved in a special position in the history Bangladesh.

{ক্ষণজন্মা মহান মানুষের খুব লম্বা তালিকা থাকে না। হাতেগোণা সংখ্যা থেকেই তাঁদের খুঁজে নিতে হয়। এ সকল কৃতি মানুষ নিজের কর্মেই সমাজে, দেশে, আন্তর্জাতিক অঙ্গণে জ্যোতি ছড়ান। বিশ্ব ইতিহাসে এমন একজন  জ্যোতির্ময় পুরুষ বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। শৈশব থেকে যাঁর সংগ্রামী আর বিপ্লবী জীবনের শুরু। বাঙালির মুক্তির জন্য আজীবন লড়াই করেছেন। শাসক গোষ্ঠীর কোপানলে পরেছেন। জেল জুলুমের শিকার হয়েছেন বহুবার। কিন্তু পিছু হটেননি। নেতৃত্বের অসাধারণ গুণে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। শৈশবের কথা যদি ছেড়েও দেই তবু বলতে হবে ভারত বিভাগের আগে তরুণ মুজিব পাকিস্তান আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে নিজের সংগ্রামী জীবনের যাত্রা শুরু করেছিলেন। আর কখনো মাঠ ছাড়েননি। বাঙালির অধিকার আদায়ে যে আন্দোলন শুরু করেছিলেন ১৯৭১-এ স্বাধীনতা অর্জন পর্যন্ত তাঁর সংগ্রামী জীবনে কখনো বিরতি আসেনি। একটি নতুন জাতি নতুন দেশের জন্ম দিয়ে বাঙালির হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছে। পুরো জীবনের কালপরিসরে এই মহান নেতাকে তিনটি অধ্যায়ে তিনটি ভিন্ন মাত্রায় দেখা যায়। তিন পর্বেই তিনি একইভাবে জ্যোতি ছড়িয়েছেন। শৈশব থেকে শুারু করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা পর্যন্ত এই মহান নেতার পরিচয় ছিল বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান, অতঃপর বাঙালির আন্দোলনের মুখে ফাঁসির মঞ্চ থেকে পাকিস্তানের স্বৈরশাসক আইয়ুব খান মুক্তি দিতে বাধ্য হন। হৃদয়ের উষ্ণতা আর ভালোবাসায় বাঙালি তাঁকে বরণ করে। নেতাকে ভূষিত করে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে। এই পর্বটিতে বাঙালি তাঁকে বঙ্গবন্ধু রূপে আপন করে নেয়। ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ নামে ১৯৭১-এর ২৬ মার্চ পর্যন্ত তাঁর উজ্জ্বল পরিচিতি ছিল। এরপর পাকিস্তানিদের বর্বর গণহত্যার মুখে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন। এসময় থেকেই কার্যত বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়। এই নতুন রাষ্ট্র আর জাতির জন্ম দিলেন বঙ্গবন্ধু। তাই জীবনের এই শেষ পর্বটিতে বাঙালি অবধারিতভাবে বঙ্গবন্ধুকে বসালেন জাতির পিতার আসনে। সংগ্রামী জীবনের তিনটি পর্বেই এই ক্ষণজন্মা পুরুষ সমান জ্যোতিষ্মান ছিলেন।

২০০৪ সালে বিবিসি বাংলা এযাবৎকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি নির্বাচনের জন্য একটি জরিপ চালায়। ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত এই জরিপ পরিচালিত হয়। এখানে ভোটে অংশ নেন বাংলাদেশ, ভারতের (বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, উড়িষ্যা এবং আসাম) বাঙালি ছাড়াও বিশ্বের নানা প্রান্তে থাকা বাঙালিরা। এই জরিপে ১৪০ জন ব্যাক্তিত্ব প্রাথমিকভাবে মনোনীত হয়েছিলেন। এঁদের মধ্যে প্রথম ২০জনকে নিয়ে চূড়ান্তে ভোটের আয়োজন করে বিবিসি বাংলা। ১৪ এপ্রিল পয়লা বৈশাখের দিন ফলাফল ঘোষণা করে বলা হয় বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হাজার বছরের সর্বশ্যেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই গৌরবের স্বীকৃতি বাঙালির মধ্যে ছড়িয়েছে অনাবিল আনন্দ। 

মানতেই হবে বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিকাশের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর আবির্ভাব এক বিস্ময়কর পর্ব। ১৯৭৫ সালে তাঁর নির্মম হত্যাকা-ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আদর্শে একটি ঝড় বয়ে গেলেও ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু অমর হয়েই থাকবেন। তাঁর বড় কৃতিত্ব তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদকে বিকশিত করেছেন, বাঙালির জাতির চেতনায় জোয়ার এনেছেন, ঐক্যবদ্ধ করেছেন; তারপর স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত করে একটি স্বাধীন ভূখ-ের জন্ম দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মত তীক্ষè মেধাসম্পন্ন, দক্ষতা সম্পন্ন নেতা এসেছেন, কিংবা আসবেন, কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এবং স্বাধীনতা উত্তর জাতীয় রাষ্ট্র গঠনের ইতিহাসে তিনি ছিলেন বিকল্পহীন। রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে যত মতবাদ গড়ে উঠুক, যত উদার শাসক, কিংবা মৌলবাদী শাসক, বিপ্লবী শাসক আসুক বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের নায়ক শেখ মুজিব। একথা অনস্বীকার্য সমস্ত রাজনৈতিক জীবনে শেখ মুজিব বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ে যে নিঃস্বার্থ সংগ্রাম করেছেন এর জন্য মহাকাল তাঁর জন্য বিশেষ স্থান নিশ্চয়ই সংরক্ষিত রাখবে।)